সাক্ষাৎকার

‘ফিড তৈরিতে মানসম্পন্ন কাঁচামাল নিশ্চিত করবে নিরাপদ খাদ্য’

দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এবং কৃষি উদ্যোক্তাদের সেরা মানের ফিড বা পশুখাদ্য সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যাত্রা করে আকিজ রিসোর্সের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড।

দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এবং কৃষি উদ্যোক্তাদের সেরা মানের ফিড বা পশুখাদ্য সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যাত্রা করে আকিজ রিসোর্সের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড। প্রতিষ্ঠার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এটিএম হাবিব উল্লাহ মুখোমুখি হয়েছেন বণিক বার্তার

এক বছরে পা দিল আকিজ এগ্রো ফিড, শুরুর গল্পটা বলুন।

ফিড ইন্ডাস্ট্রিতে সাধারণত পরিবেশকদের মাধ্যমে ব্যবসা করা হয়। শুরুতে আমাদের পরিবেশক সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫০। বর্তমানে তা বেড়ে ৫০০ ছাড়িয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে খামারিদের আস্থা ও ভরসার কারণে। আকিজ এগ্রো ফিডের যাত্রার প্রতিটি ধাপে খামারি, পরিবেশকসহ সব স্টকহোল্ডারের অবদান অসীম। এক বছর পূর্তির এ শুভক্ষণে আমরা তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

বর্তমানে আকিজ এগ্রো ফিড কী কী পণ্য বিক্রি করে ও কীভাবে সারা দেশে বাজারজাত করে?

বর্তমানে আমরা পোলট্রি, ফিশ ও ক্যাটল ফিড বাজারজাত করছি। সারা বাংলাদেশে আমাদের ২০টি ডিপো রয়েছে। এর মাধ্যমে সব জায়গায়ই ফিড সরবরাহ করা হয়।

উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে?

ফিড উৎপাদনে সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার জন্য অত্যাধুনিক ইউরোপিয়ান প্রযুক্তি ও উন্নত মানের কাঁচামাল ব্যবহার করা হয়।

মাত্র এক বছরে আপনারা ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছেন। এটা কীভাবে সম্ভব হয়েছে?

আকিজের প্রতি মানুষের আস্থা রয়েছে। তাছাড়া সর্বোচ্চ মানের পণ্য ও আমাদের বিপুলসংখ্যক মাঠপর্যায়ের কর্মীরা খামারি ও পরিবেশকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করেছে, যার ফলাফল এ সফলতা।

ব্যবসা শুরুর পর প্রথম বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে কি? দ্বিতীয় বছরের পরিকল্পনায় কী রয়েছে?

সব স্টেকহোল্ডারের সহায়তায় আমরা প্রথম বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। দ্বিতীয় বছর খামারিদের সার্বিক ব্যবস্থাপনা উন্নতকরণের লক্ষ্যে তাদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার মাধ্যমে আরো সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।

আকিজ এগ্রো ফিডের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলুন।

ফিড তৈরিতে আমরা মানসম্পন্ন কাঁচামাল ব্যবহার করে নিরাপদ খাদ্য (মুরগি, মাছ ও মাংস) নিশ্চিত করতে চাই। পাশাপাশি খামার ব্যবস্থাপনায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে ব্যয় কমিয়ে আনাও আমাদের লক্ষ্য।

আরও